সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি, যোগ্যতা, বেতন apply কর
করতে কি যোগ্যতা লাগে, বেতন কত টাকা এবং আপনি সহজে তাড়াতাড়ি পদোন্নতি কিভাবে
পাবেন সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে। তাই যারা স্বাস্থ্য সহকারী পদে চাকরি
নিতে চাচ্ছেন তারা অবশ্যই জেনে নেবেন কোন সময় আবেদন করলে চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা
বেশি এবং কোন মাধ্যমটি অবলম্বন করলে বিনা টাকায় কোন প্রকার ঘুষ প্রদান না করে
চাকরি পাওয়া সম্ভব।
![]() |
| সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি |
রয়েছে। আপনারা হয়তো জানেন সরকারি চাকরি মানে সোনার হরিণ, তাই আপনার যদি যোগ্যতা
থাকে তাহলে অবশ্যই আবেদন করতে ভুলবেন না। আবার এই চাকরির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে
আপনি আপনার বাসা থেকে নিজের উপজেলায় চাকরিতে জয়েন করতে পারবেন। আর কথা না
বাড়িয়ে চলুন আর্টিকেলের মূল আলোচ্য বিষয় অর্থাৎ সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী
কাজ কি জেনে নেওয়া যাক।
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কারা
সহকারী হিসাবে থাকে তাদেরকে সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী বলা হয়। সিভিল
সার্জনরা মূলত নির্দিষ্ট কমিউনিটি ক্লিনিক বা হাসপাতালে অবস্থানরত থাকাকালীন
জনসাধারণকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করে। আর যারা স্বাস্থ্য সহকারী হিসাবে থাকে
তারা নির্দিষ্ট স্থান ব্যতীত জনসাধারণের বাড়িতে গিয়েও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান
করে। এরাম মূলত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় এবং সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে
স্বাস্থ্যসেবার কার্যক্রম দেখভাল করে।
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি
গ্রহণ করছেন এবং আবেদন লিংক খুঁজছেন। তো যাই হোক যেকোন চাকরির একটি নির্দিষ্ট
সময় রয়েছে যে সময়ে আবেদন করলে চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা সর্বাধিক এবং চাকরি
হওয়ানো জন্য আপনাকে অবশ্যই কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যক্তিগতভাবে
সংযোগ স্থাপন করতে হবে।
তারা আর্টিকেলের এই অংশটুকু মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ুন কারণ এই আর্টিকেল
জুড়ে সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী সম্পর্কিত সকল তথ্য আপনাদের সামনে
বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হবে। চলুন বাড়তে কথা না বলে আলোচনা শুরু করা যাক।
- টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা
- পোলিও ও ভিটামিন A ক্যাপসুল প্রদান
- ঔষধ বিতরণ করা
- স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা
- জনস্বাস্থ্য তথ্য সংগ্রহ করা
- রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিশোধক প্রদান
- স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনা করা
- মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের সুরক্ষা প্রদান
- নিত্যনতুন প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং চর্চা করা
- জরুরি স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা
- অন্যান্য কাজ
পরিবার পলিকল্পনা থেকে মা ও শিশুকে টিকা দেওয়া হয়। হলুদ কালার ব্যানার
টাঙ্গিয়ে ২-৩ জন নারী পুরুষ টিকা প্রদান করে। যেদিন এই কার্যক্রমটি প্রচলিত
হয় সেদিন ওই অঞ্চলসহ আশেপাশের সব এলাকার যেসব মা তাদের শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পান
করায় তারা তাদের শিশুদের নিয়ে ওই স্থানে উপস্থিত হয়।
স্বাস্থ্য সহকারী করে থাকে। টিকাগুলো মা ও শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
করতে এবং দেহে টাকা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিহত করে যার ফলে দুজনই সুস্থ
থাকে। এজন্য টিকা নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য।
প্রদানের কাজ স্বাস্থ্য সহকারীদের করতে হয়।
নির্দেশনা অনুসারে রোগীদের ঔষধ বিতরণ করা। ঔষধ বিতরণের সময় ঔষধ খাওয়ার নিয়ম
এবং যাবতীয় সকল তথ্য সম্পর্কে অবগত করা।
সম্পর্কে খুবই অসচেতন। যারা অপুষ্টিতে ভোগে তাদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই গ্রামে বসবাস
করে। যারা শহরে বসবাস করে তারা মোটামুটি স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা অবলম্বন
করে। তবে গ্রামের মানুষদের কয়েক বছর আগে একটি বিশেষ সমস্যা ছিল সেটি হচ্ছে
পায়খানা।
বিভিন্ন ধরনের রোগ ব্যাধি খুব সহজেই আক্রমণ করত। সেখানে পানি বাহিত রোগের পরিধি
ছিল ব্যাপক। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় গ্রাম পর্যায়ের অঞ্চলগুলোতে
সরকারিভাবে স্যানিটেশন সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার ফলে তারা ব্যাপক সচেতন হয়েছে।
অর্থাৎ বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে জনসাধারণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক
বিভিন্ন প্রকল্প যেমনঃ খাদ্য, পুষ্টি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বিভিন্ন ধরনের
স্বাস্থ্য বিধির নিয়মমালা, সংক্রমণ রোগ, জন্মনিয়ন্ত্রণ এবং স্যানিটেশন
সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। তো যারা জানতে চাচ্ছিলেন বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে
স্বাস্থ্য সহকারীরা কি কাজ করে বা সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি আশা
করি তারা মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন।
আপনার কথাগুলো কতটুকু গ্রহণ করেছে এবং মেনে চলেছে তার রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।
অর্থাৎ আপনি যে কোন একটি প্রজেক্ট কিংবা বিষয় সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন তার
ফলাফলের একটি শিট তৈরি করতে হয়। তবে এই তথ্য সংগ্রহ তালিকার মধ্যে নির্দিষ্ট
অঞ্চলের ব্যক্তিদের বয়স, রোগ, প্রতিরোধক ব্যবস্থা, পরিবারের সদস্য সংখ্যা
উল্লেখ করতে হবে।
তথ্যগুলো সংগ্রহ করার সময় একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসাবে অতিরিক্ত সর্তকতা
অবলম্বন করতে হবে যাতে তথ্যগুলোর মধ্যে কোন ভুল না থাকে। বাংলাদেশ সরকার এগুলোর
উপর ভিত্তি করেই গ্রামীণ চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর নজরদারি করে।
মানুষদের রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিশোধক প্রদান করতে হবে। এলাকা ভেদে যদি নির্দিষ্ট
কোন রোগের পরিধি বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে আপনাকে
ওই রোগে আক্রান্ত রোগীদের লিস্ট তৈরি করে করতে পক্ষের নিকট যথাযথ জমা দিতে হবে।
সনাক্ত করে উল্লেখ করতে হবে। কারণ রোগ প্রতিরোধ এবং তার প্রতিষেধক ব্যবস্থা
নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের চিকিৎসা বিভাগের বিভিন্ন সেক্টর কাজ করে থাকে। এজন্য
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারীরা আমাদের দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নির্দিষ্ট সময় পর পর নির্দিষ্ট স্থানে ক্যাম্প পরিচালনা করা এবং জনসাধারণকে
বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত বিষয়গুলো বিনামূল্যে প্রদান করা।
স্বাস্থ্যের জন্য অতিরিক্তভাবে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যেহেতু এই পরিস্থিতি
নারীদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে অবস্থান
করছে তাই সর্বোচ্চ সচেতনতা তখনই অবলম্বন করা উচিত।
ধারণা দেওয়া এবং সন্তান প্রসবের পরে নবজাতক শিশুর স্বাস্থ্যের সচেতনতা বৃদ্ধির
জন্য পরামর্শ প্রদান করতে হয় একজন স্বাস্থ্য সহকারীকে। এছাড়া দুইজনের
স্বাস্থ্যের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সুরক্ষার জন্য যাবতীয় সকল
কার্যক্রম গ্রহণ করে নজরদারি করতে হয়।
রয়েছে যার ফলে কর্মীরা নতুন অভিজ্ঞতা গ্রহণ করে এবং নিজের অবস্থানকে পদোন্নতির
দিকে নিয়ে যায়। ঠিক তেমনিভাবে সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পদেরও
প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। যারা এই চাকরিতে নতুন জয়েন করেছে তারা অনেকেই
জানতে চাই নতুন জয়েনকৃত অবস্থায় সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি বা
প্রথম দিকে তাদের কি কাজ করতে হয়?
স্বাস্থ্য সহকারী পদে নিজেকে দেখতে চান তাহলে অবশ্যই বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ
গ্রহণ করতে হবে এবং যারা দীর্ঘদিন যাবত এই পদে চাকরি করছে তাদের পরামর্শ নিতে
হবে।সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কর্মীদের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি এবং জনসাস্থ্যের
সুরক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময় পর পর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির নতুন টেকনিক, চিকিৎসা বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত নতুন প্রযুক্তি এবং
বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে পারে। এজন্য যারা নিজের মন থেকে
নিজেকে মানুষের সেবায় নিযুক্ত করেছে এবং দেশের কল্যাণে কাজ করতে চাই তারা সব
সময় এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুলোতে অংশগ্রহণ করে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মূলত যারা সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী হিসাবে কাজ করে
তারা নির্দিষ্ট ইউনিয়ন ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কাজ করে থাকেন। তাদের
দায়িত্ব মূলত গ্রামে বসবাসকারী মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা প্রদান করা।
অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মহামারী রোগ দেখা দিচ্ছে।
পরিস্থিতি এবং রোগের ধরন অনুসারে সেবা প্রদান করে থাকে। তাই আপনি যদি এই পেশায়
নিজেকে নিযুক্ত করতে চান সেক্ষেত্রে এই কাজের ধরন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, বেতন এবং
আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিবেন যা এই আর্টিকেল জুড়ে
বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
কাজগুলো ব্যতীত অন্যান্য কাজও করতে হয়। অর্থাৎ তারা যে চিকিৎসকগুলোর
নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে ওইসব চিকিৎসকদের নির্দেশনা মতাবেক কাজ করতে হয়। তো আশা
করছি জানতে পেরেছেন সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি এই সম্পর্কে।
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারীদের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
অপরিহার্য। এরা চিকিৎসা ব্যবস্থার মেরুদন্ড হিসেবে কাজ করে। কারণ চিকিৎসকরা
জনসাধারণদের সাথে সরাসরি এবং ব্যক্তিগতভাবে মতবিনিময় করতে পারে না কিন্তু যারা
স্বাস্থ্য সহকারী রয়েছে তারা জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের মুখ থেকে
রোগের ধরন এবং রোগের বর্তমান পরিস্থিতি অনুসারে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
গ্রহণের সুযোগ করে দেয়। অর্থাৎ রোগী এবং সিভিল সার্জন এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন
এর কাজ করে একজন স্বাস্থ্য সহকারী। এছাড়াও তারা গ্রামীন পর্যায়ে বিভিন্ন
ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করে স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগ
প্রতিরোধের স্বাভাবিক ধাপ গ্রহণ করে।
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পদে আবেদন করার শিক্ষাগত যোগ্যতা
জেএসসি/এসএসসি/এইচএসসি/স্নাতক অথবা এই সমপরিমাণ শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। এ
সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট
করতে পারেন।
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পদের চাকরির ভবিষ্যৎ ও বেতন
স্থিতিশীলতা জেনে নিবেন। আর চাকরিটি যদি বেসরকারি না হয়ে সরকারি হয় তাহলে তো
আর কোন টেনশনই নেই। তো আপনারা যারা স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে নিজের চাকরি জীবন
শুরু করতে চাচ্ছেন তারা অবশ্যই সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি জানার
পাশাপাশি ভবিষ্যৎও জেনে নিবেন।
স্বাস্থ্য সহকারীর বেতন ১২০০০ হাজার টাকা থেকে ১৮০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
এছাড়া উদ্বৃত্ত ভাবে বিভিন্ন ধরনের ভাতা যেমনঃ চিকিৎসা ভাতা, বাড়ি ভাড়া এবং
অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। । এছাড়া এই চাকরিতে আপনি বছরে দুইবার অর্থাৎ
ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহাতে বোনাস পাবেন যা আপনার এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ।
লক্ষ থেকে ৬৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেনশন ও গ্রাচুইটি সুবিধা বাবদ পেয়ে যাবেন।
তার মানে বুঝতেই পারছেন আপনি যদি কোনক্রমে একবার এই পদে জয়েন হতে পারেন তাহলে
আপনাকে ভবিষ্যৎ নিয়ে আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না। এছাড়া এই চাকরিটি পরিপূর্ণ
সরকারি তাই বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত সকল ধরনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন।
পদোন্নতি ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন
রয়েছে যেগুলো গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে পদোন্নতি পাওয়া যায়।
- প্রশিক্ষণঃ সরকারি ও বেসরকারী পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণের
সুযোগ রয়েছে। - উচ্চতর পদে পদোন্নতিঃ পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করলে উচ্চতরে পদে
পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে। - শিক্ষাগত যোগ্যতা বৃদ্ধিঃ এই চাকরির পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য
পড়ালেখা করার বাড়তি সুযোগ সুবিধা রয়েছে। - বিশেষ দায়িত্বঃ সিভিল সার্জনদের দেওয়া বিভিন্ন গুরু দায়িত্ব গুলো সঠিকভাবে
পালন করলে অল্প সময়ে প্রমোশন পাওয়া যায়।
ব্যক্তিগত মতামত
অবশ্যই জানতে পেরেছেন সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি এবং এই পদের চাকরির
সম্পর্কে অন্যান্য সকল তথ্য। তবে আপনি যদি জনসাধারণকে নিঃস্বার্থভাবে সেবা
প্রদান করতে চান এবং একটি সিকিউর লাইফ লিড করতে চান তাহলে দেরি না করে এখনই
আবেদন করুন।
FAQ – এক কথার প্রশ্নোত্তর
নির্দিষ্ট জেলার সকল স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম গুলো পরিচালনা করেন।
অন্যান্য সুযোগ সুবিধা রয়েছে।
উদ্যোগে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস গঠিত হয়।
চিকিৎসার সরঞ্জাম, নতুন প্রযুক্তি এবং অন্যান্য যেসব জিনিসপত্র আসে সেগুলো
দেখভাল করা এবং গুদামে বা স্টোর রুমে সংরক্ষণ করা।


.png)
.png)